• ১৯ জুলাই ২০২৪ | ৩ শ্রাবণ ১৪৩১

Shongbad Protikshon || সংবাদ প্রতিক্ষণ

বৃষ্টিতে যেসব জিনিস বাইকারদের সবচেয়ে বেশি কাজে লাগবে

প্রকাশিত: ০৯:১৩, ৮ জুলাই ২০২৪

বৃষ্টিতে যেসব জিনিস বাইকারদের সবচেয়ে বেশি কাজে লাগবে

বৃষ্টিতে যেসব জিনিস বাইকারদের সবচেয়ে বেশি কাজে লাগবে

বৃষ্টি-বাদলের দিনে বাইক ও স্কুটার চালকদের একটু বেশি সতর্ক থাকতে হয়। একনাগাড়ে বৃষ্টি মাথায় গাড়ি চালানোর ফলে শরীর খারাপও হতে পারে। তাই বর্ষাকালে অবশ্যই সঙ্গে রাখুন ৫ রাইডিং গিয়ার। দূরত্ব কম হোক বা বেশি, এই রাইডিং গিয়ারগুলো আপনাকে ও আপনার মোটরসাইকেল নিরাপদ রাখতে সাহায্য করবে।
রেইন কোট অবশ্যই সঙ্গে রাখুন
সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হল রেইন গিয়ার। এর মধ্যে দুটি জিনিস আসে- ওয়াটারপ্রুফ জ্যাকেট ও ট্রাউজার। রেইন গিয়ার সঙ্গে থাকলে বৃষ্টি মাথায় করেই দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়া যাবে। আর রেইন গিয়ার যদি না থাকে, সেই অবস্থায় বাইক চালালে শরীর খারাপ হতে পারে আপনার। আবার যদি বৃষ্টি থামার অপেক্ষা করেন, তাহলে অনেকটা সময়ও খরচ হতে পারে।

অতিরিক্ত পোশাক
বর্ষাকালে তাপমাত্রা অনেকটাই কমে যায়। বাইক চালানোর সময় ঠান্ডা হাওয়া ও বৃষ্টির ফোঁটা গায়ে লাগলে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। তাই অতিরিক্ত পোশাক বা কোনো কাপড়ের লেয়ার থাকলে তা গায়ে জড়িয়ে নিন। ঠান্ডার হাত থেকে তো রক্ষা পাবেন, পাশাপাশি আপনি যদি ভিজে থাকেন তখন কাজে আসবে।

পরিষ্কার ভাইজর
বর্ষাকালে ভিজিবিলিটি দ্রুত কমে যেতে পারে। তাই বৃষ্টিতে বাইক চালানোর সময় একটি পরিষ্কার ভাইজর বেছে নিন। তা যেন খুব বেশি রঙিন না হয়। পাশাপাশি নিশ্চিত করতে হবে ভাইজরে যেন কোনও স্ক্র্যাচ না থাকে। যদি থাকে তাহলে দ্রুত সারিয়ে নিন। আবার কুয়াশা যদি বেশি হয় তাহলে পিনলক থাকলে সুবিধা পাবেন। বর্তমানে বেশিরভাগ হেলমেটেই পিনলকের সুবিধা রয়েছে।

ওয়াটারপ্রুফ লাগেজ ও ব্যাগ
বর্ষাকালে রাইডিং করার সময় সবথেকে জরুরি লাগেজ এবং ইলেকট্রনিক্স পণ্য শুকনা রয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করা। তাই ওয়াটারপ্রুফ ব্যাগ বা কভার ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। এবং সেখানেই ফোন, চার্জার, ল্যাপটপ বা অন্য কোনও লাগেজ রাখার চেষ্টা করুন। এর জন্য ভালো স্যাডেল ব্যাগ বা টেলব্যাগ কিনতে পারেন। অনলাইন/অফলাইন দুই জায়গা থেকেই কেনা যায়।

আগে থেকে রুট পরিকল্পনা
কোন রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা ঠিক হবে তা আগে থেকে পরিকল্পনা করে নিন। এর জন্য গুগল ম্যাপসের সাহায্য নিতে পারেন। বৃষ্টির ফলে রাস্তায় যদি তীব্র জ্যাম সৃষ্টি হয় তাহলে অনেকটা সময় খরচ হবে। পাশাপাশি এমন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছেন, যেখানে বৃষ্টির কারণে রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। সেই সব রাস্তায় বাইক চালানোর ফলে দুর্ঘটনা হতে পারে। পাশাপাশি এই সময়টা বাইকের গতি কম রাখার চেষ্টা করুন এবং আগেভাগে রুট পরিকল্পনা করে নিন।

স/প্র