• ১৫ এপ্রিল ২০২৪ | ১ বৈশাখ ১৪৩১

মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে নববর্ষ

মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে নববর্ষ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করে বলেছেন, বাংলা নতুন বছর ১৪৩১ আমাদেরকে জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ, উগ্রবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে। আজ (১৪ এপ্রিল) বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘‘শুভ নববর্ষ’ ১৪৩১। উৎসবমুখর বাংলা নববর্ষের এই দিনে আমি দেশবাসীসহ সকল বাঙালিকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’ তিনি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন। এটি সর্বজনীন উৎসব। এদিন আনন্দঘন পরিবেশে বরণ করে নেয়া হয় নতুন বছরকে। আবহমান কাল ধরে নববর্ষের এই উৎসবে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমগ্র জাতি জেগে ওঠে নবপ্রাণ স্পন্দনে, নব-অঙ্গীকারে। সারা বছরের দুঃখ-জরা, মলিনতা ও ব্যর্থতাকে ভুলে বাঙালি রচনা করে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য, আনন্দ ও ভালোবাসার মেলবন্ধন।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্যে ‘পহেলা বৈশাখ’ বিশেষ স্থান দখল করে আছে। বাংলা নববর্ষ পালনের সূচনা হয় মূলত মুগল স¤্রাট আকবরের সময় থেকে। কৃষিকাজের সুবিধার্থে স¤্রাট আকবর ‘ফসলি সন’ হিসেবে বাংলা সন গণনার যে সূচনা করেন, তা কালের পরিক্রমায় সমগ্র বাঙালির কাছে অসাম্প্রদায়িক চেতনার স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে। পহেলা বৈশাখ বাঙালিয়ানার প্রতিচ্ছবি। এই উদ্যাপন আমাদের শেকড়ের সন্ধান দেয়, এর মধ্য দিয়ে খুঁজে পাওয়া যায় জাতিসত্তার পরিচয়।’ তিনি বলেন, ‘বাঙালির প্রতিটি ঘরে, জনজীবনে এবং আর্থসামাজিক সংস্কৃতিতে পহেলা বৈশাখ এক অনন্য উৎসব। পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে হালখাতার পাশাপাশি যাত্রাগান, পালাগান, পুতুলনাচ, অঞ্চলভিত্তিক লোকসংগীত, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন পসরা নিয়ে মেলার বর্ণিল আয়োজনের মাধ্যমে যেমন লোকজ-সংস্কৃতি প্রাণ ফিরে পায় তেমনি দেশের অর্থনীতি তথা ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমৃদ্ধ হয়, ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আসে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখ পূর্ণপ্রাণ নিয়ে অবারিতভাবে বেড়ে ওঠার বাতায়ন। এটি ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতিকে ধারণ ও লালন করতে শেখায়। অসাম্প্রদায়িকতার চর্চা ও অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পহেলা বৈশাখ আমাদের মনে আনে নতুন তেজ। একারণেই আমরা দুর্বার প্রতিরোধে রুখে দিতে পেরেছি পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক অপশক্তিকে, যারা বাঙালির ঐতিহ্য নস্যাৎ করতে চেয়েছিল। তিনি বলেন, ‘আত্মপরিচয় ও স্বীয় সংস্কৃতির শক্তিতে বলিয়ান হয়ে আমরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম মুক্তির সংগ্রামে। সংস্কৃতি ও রাজনীতির মিলিত ¯্রােত পরিণত হয়েছিল স্বাধিকার ও স্বাধীনতার লড়াইয়ে। এভাবেই বিশ্বের বুকে অভ্যুদয় ঘটেছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের।’ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি লালনের মাধ্যমে বিশ্বসমাজে বাঙালি শ্রেষ্ঠ জাতি হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এরই ধারাবাহিকতায় ইউনেস্কো ২০১৬ সালে পহেলা বৈশাখের ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’কে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। নববর্ষের-এ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সারাবিশ্বের বাঙালির জন্য নিঃসন্দেহে বিরাট অর্জন।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসাম্প্রদায়িক, উদারনৈতিক, জাতীয়তাবাদী ও গণতন্ত্রের ভাবাদর্শে আজীবন যে সংগ্রাম করে গেছেন তার মূলমন্ত্র জাতিগত ঐতিহ্য ও অহংকার। একারণেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন এবং দেশ পুনর্গঠনে কাজ করেছে তাঁর অভিন্ন চেতনা। আমরা বীরের জাতি, এ জাতিকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। কাল থেকে কালান্তরের পথ পরিক্রমায় বাঙালির অর্জন ও অগ্রগতি চির ভাস্বর হয়ে থাকবে, এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস। তিনি বলেন, ‘সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ তথা উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে সক্ষম হব ইনশাআল্লাহ।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন আমরা বিগত বছরের গ্লানি, দুঃখ-বেদনা, অসুন্দর ও অশুভকে ভুলে গিয়ে নতুন প্রত্যয়ে, নতুন উদ্যমে সামনে এগিয়ে চলি। সুখী, শান্তিময়, আনন্দপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলি। বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। কবিগুরুর ভাষায়... “মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা। রসের আবেশরাশি শুষ্ক করি দাও আসি, আনো আনো আনো তব প্রলয়ের শাঁখ মায়ার কুজ্ঝটিজাল যাক দূরে যাক। এসো হে বৈশাখ এসো, এসো..

বৈশাখের আলপনায় রঙিন হাওরের ১৪ কিলোমিটার সড়ক

বৈশাখের আলপনায় রঙিন হাওরের ১৪ কিলোমিটার সড়ক

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা মিঠামইনের জিরো পয়েন্ট থেকে অষ্টগ্রাম পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার ‘অলওয়েদার’ সড়কে বাঙালি ঐতিহ্যের আলপনা আঁকা হয়েছে। যা বিশ্বের দীর্ঘতম আলপনা অঙ্কন বলে দাবি করছে কর্তৃপক্ষ। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে নাম লেখানোর প্রত্যয়ে অষ্টমবারের মতো এ আলপনার নাম দেওয়া হল ‘আলপনায় বৈশাখ-১৪৩১ উৎসব’। রোববার পহেলা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল) বেলা পৌনে ১১টায় মিঠামইন জিরো পয়েন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তুলির আঁচড়ের মাধ্যমে আলপনায় বৈশাখ-১৪৩১ উৎসবের সমাপ্তি করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এ সময় জুনাইদ আহমেদ পলক কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিককে সঙ্গে নিয়ে আলপনা রঙিন অলওয়েদার সড়কে মোটরসাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন। কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে উৎসবের সমাপনী দিনের আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিল্লুর, বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান প্রমুখ। মিঠামইন জিরো পয়েন্টে সমাপনী অনুষ্ঠানে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বিশ্বরেকর্ড গড়ার এই প্রচেষ্টা দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে, পাশাপাশি পর্যটন শিল্পকেও উদ্বুদ্ধ করবে। কোভিড-১৯ এর বিরতির পর পহেলা বৈশাখের আলপনার উৎসব আবার ফিরে আসায় বাঙালি চেতনার উদযাপন আবার তার চেনা রূপ লাভ করেছে। আয়োজকদের প্রতি আমি শুভকামনা জানাচ্ছি ও আশাবাদ ব্যক্ত করছি যেন তারা ভবিষ্যতেও এমন আয়োজন করে দেশবাসীকে আনন্দে ভাসাতে পারে। এ আয়োজন ইতিহাসের পাতায় স্থান পাবে বলে আমরা আশা রাখি। কিশোরগঞ্জ হাওরাঞ্চলে বাঙালি লোকসংস্কৃতি তুলে ধরতে মিঠামইন জিরো পয়েন্ট থেকে অষ্টগ্রাম জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার সড়কে ৬৫০ জন শিল্পী সর্ববৃহৎ আলপনা উৎসব বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার লক্ষ্যে এবার অষ্টমবারের মতো আয়োজিত ‌‘আলপনায় বৈশাখ ১৪৩১’ বিশ্বরেকর্ড গড়ার অনবদ্য প্রত্যয় নিয়ে এই উৎসব আয়োজন করে। বাংলালিংক এর চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, বাংলা আমাদের ঐতিহ্য, তাই এ উৎসব উদযাপনে বাংলালিংক পরিবার গভীরভাবে দায়বদ্ধ। বাংলালিংক-এর এই আয়োজন ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও দেশীয় উৎসবকে তুলে ধরার একটি প্রয়াস। হাওরকন্যা নূরজাহান পপি বলেন, হাওরের মধ্যে এত সুন্দর আলপনা এর আগে দেখিনি। এ আলপনা দেখে সত্যি আমরা অনেক আনন্দিত। যদিও দূর-দুরান্ত থেকে অনেক মানুষ আসছে দেখতে তবে হাওরের মানুষ অনেক বেশি আনন্দিত। কিশোরগঞ্জ সদর থেকে আলপনা দেখতে এসেছেন আর জে অন্তর। তিনি বলেন, আগে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানগুলো স্কুল কলেজের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকত। কিন্তু এবার হাওরের মধ্যে এটা ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা সব সময় বইয়ের মধ্যে এইসব দেখেছি। আজ নিজ চোখে দেখে অনেক ভালো লাগছে। কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদী বলেন, আজকে আমরা একটি বিশ্ব রেকর্ড করতে যাচ্ছি। বিশেষ করে আলপনা ১৪.২ মধ্য দিয়ে আমরা এই বিশ্ব রেকর্ড করেছি। এই আলপনার মাধ্যমে বিশ্বের মাঝে বাংলাদেশকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে একজন বাঙালি হিসেবে আমি খুবই খুশি। তিনি আরও বলেন, চারদিকে সবুজে মধ্যে মেঝেতে এই আলপনা যা মনোমুগ্ধকর। এই ১৪ কিলোমিটার আল্পনা মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বে উপস্থাপন করবে। আমি সবাইকে বলবো আপনারা আসেন এসে দেখেন। এই সড়কের আলপনা আঁকার মাধ্যমে বিশ্বরেকর্ড হিসেবে গিনেস বুকে নথিভুক্ত করার উদ্যোগ নেবেন আয়োজকরা।

খড় কাটা মেশিন চালু করতেই নিথর ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা রুমি

খড় কাটা মেশিন চালু করতেই নিথর ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা রুমি

আগামী ১৮ এপ্রিল ডেলিভারির তারিখ ছিল। পরিবারের সদস্যরা বুকভরা আশা নিয়ে অধীর অপেক্ষায় ছিলেন নতুন অতিথির জন্য। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চিরতরে চলে গেলেন মা রুমি খাতুন। পৃথিবীর আলো দেখার ভাগ্য হলো না অনাগত শিশুর। মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শনিবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে যশোরের চৌগাছা উপজেলার ১১ নম্বর সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামে। মৃত রুমি খাতুন ওই ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মো. স্বপনের স্ত্রী। জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় খড় কাটা মেশিন চালু করার জন্য বিদ্যুতের সংযোগ লাইন দিতে যান রুমি। সংযোগ লাইনটি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরিবারের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চৌগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। মৃতের এক আত্মীয় জানান, নিহত রুমির পাঁচ বছরের একটি কন্যাসন্তান আছে। দ্বিতীয় সন্তানটি ডেলিভারির তারিখ ছিল আগামী ১৮ এপ্রিল। পেটের সন্তানটিও মেয়ে ছিল। পরিবারের লোকজন তারপরও খুশি ছিলেন। কিন্তু এমন মৃত্যু মেনে নেয়া যায় না। পাঁচ বছরের সন্তানটিও মা হারা হয়ে গেল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চৌগাছা থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী। তিনি বলেন, মেয়েটি ৯ মাসের প্রেগন্যান্ট ছিলেন। এই মাসেই ডেলিভারির ডেট ছিল বলে জেনেছি। কিন্তু বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু হয়েছে। কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বর্ষবরণে মুগ্ধ নরওয়েজিয়ান দম্পতি যা বললেন

বর্ষবরণে মুগ্ধ নরওয়েজিয়ান দম্পতি যা বললেন

বাংলাদেশের বর্ষবরণ আয়োজনে মুগ্ধ নরওয়েজিয়ান দম্পতি স্টুয়ার্ট ও মারথা। রোববার প্রথমবারের মতো স্ত্রী-সন্তান নিয়ে নববর্ষের আয়োজনে ঘুরতে আসেন তারা। অনুভূতির কথা জানিয়ে স্টুয়ার্ট বলেন, প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে আসা। এসেই এমন একটি উৎসবে শামিল হয়ে নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে হচ্ছে। স্টুয়ার্টের স্ত্রী মারথা বলেন, এদেশের সবাই খুব ভালো। আমরা নববর্ষের আয়োজনে যাব শুনে আশপাশের বাঙালি বন্ধুরা শাড়ি-পাঞ্জাবি পরে যেতে বলেছে। আমি শাড়ি পড়তে পারি না বলে সালোয়ার পরেছি। আর স্টুয়ার্ট শখ করে পাঞ্জাবি পরেছে। পাঞ্জাবি পরে নিজেকে বাঙালি বাঙালি মনে হচ্ছে উল্লেখ করে স্টুয়ার্ট বলেন, মনে হচ্ছে আমি আপনাদেরই লোক। আপনারাও এতটা আপন করে নিয়েছেন। মনে হচ্ছে নিজ দেশের কোনো উৎসবে এসেছি। মারথা বলেন, আমার ছেলে হাঁটাহাঁটি পছন্দ করে না। কিন্তু মেলায় এসে ওর ক্লান্তি যেন হারিয়ে গেছে। হাঁটছে, খেলছে, দৌড়াচ্ছে। খুব ভালো লাগছে। প্রসঙ্গত, এক বছরের জন্য বাংলাদেশে কাজ করতে এসেছেন স্টুয়ার্ট ও তার পরিবার। ভবিষ্যতেও তারা এমন আয়োজনে শামিল হতে চান।

বাঙালি জাতি বিশ্ববাসীকে আলোর পথ দেখায়: মেয়র তাপস

বাঙালি জাতি বিশ্ববাসীকে আলোর পথ দেখায়: মেয়র তাপস

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, পৃথিবীর অধিকাংশ দেশ রাত ১২টা ১ মিনিটে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়। আমরাই একমাত্র জাতি যারা নতুন সূর্যোদয়কে বরণের মাধ্যমে বর্ষবরণ করে থাকি। বাঙালি জাতি আলোর দিশারি। বাঙালি জাতি বিশ্ববাসীকে আলোর পথ দেখায়। রোববার নগর ভবন প্রাঙ্গণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বর্ষবরণ উৎসবে এ কথা বলেন তিনি। মেয়র তাপস বলেন, নতুন বছরকে বরণের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ রচনা অব্যাহত থাকবে। জাতির পিতার লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নে শেখ হাসিনা বিশ্ববাসীকে আলোর পথ দেখাতে চান। একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণের মাধ্যমে তিনি এ দেশকে একটি উন্নত বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। এ অগ্রযাত্রা সমুন্নত করতে আমরা সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

এপ্রিলের প্রথম ৫ দিনে রেমিট্যান্স আসেনি যে ১০ ব্যাংকে

এপ্রিলের প্রথম ৫ দিনে রেমিট্যান্স আসেনি যে ১০ ব্যাংকে

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ৫ দিনে দেশে এসেছে ৪৫ কোটি ৫৪ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। তবে দেশে কার্যরত ১০টি ব্যাংকে আসেনি কোনো রেমিট্যান্স। এর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকও। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে সোমবার এসব তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়, আলোচ্য সময়ে ১০টি ব্যাংকে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এর মধ্যে ১টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক, ১টি বিশেষায়িত ব্যাংক, ৪টি বেসরকারি ব্যাংক এবং ৪টি বিদেশি ব্যাংক রয়েছে। এপ্রিলের প্রথম ৫ দিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল), বিশেষায়িত খাতের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) এবং বেসরকারি খাতের কমিউনিটি ব্যাংক, সিটিজেন্স ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক ও আইসিবি ইসলামি ব্যাংকে কোনো প্রবাসী আয় আসেনি। এছাড়া বিদেশি খাতের হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এবং উরি ব্যাংকেও কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এদিকে এপ্রিল মাসের প্রথম ৫ দিনে দেশে এসেছে ৪৫ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩ কোটি ৮৫ লাখ ৫০ হাজার ডলার। এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ২ কোটি ৭৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩৮ কোটি ৭৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদকে কেন্দ্র করে বাড়ছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। এ সুবাতাস কোরবানির ঈদ পর্যন্ত থাকতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক জানান, রোজা-ঈদে প্রবাসীরা দেশে আত্মীয়স্বজনের জন্য বিপুল অঙ্কের অর্থ পাঠান। তাই এ সময়ে স্বাভাবিকভাবেই বাড়ে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ। তিনি আরো বলেন, রেমিট্যান্সের এ ধারা অব্যাহত থাকলে বাড়বে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। কাটবে ডলার সংকটও। আর গত মার্চ মাসে দেশে এসেছে ১৯৯ কোটি ৬৮ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এছাড়া ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে এসেছিল ২১৬ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা চলতি অর্থবছরে সর্বোচ্চ।

এবার বাড়লো রুপার দাম

এবার বাড়লো রুপার দাম

আন্তর্জাতিক বাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সোনার দাম। এর সঙ্গে রুপার দরও বৃদ্ধি পেয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই ধাতুটির মূল্য বেড়েছে ১ শতাংশ। আউন্সপ্রতি দর নিষ্পত্তি হয়েছে ২৮ ডলার ১১ সেন্টে। কর্মদিবসের শুরুতে তা ছিল ২৮ ডলার ১৫ সেন্ট। এ নিয়ে টানা দুদিন ২৮ ডলারের ওপরে থাকলো রুপার দাম। ২০২১ সালের জুনের পর যা সর্বোচ্চ। এ প্রেক্ষাপটে ব্যাংক অব আমেরিকার (বিওএফএ) বিশ্লেষকরা বলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে আউন্সে সোনার দর উঠতে পারে ৩০০০ ডলারে। সেই সঙ্গে রুপা আরো শক্তিশালী হবে। আগামী ১২ মাসের মধ্যেই মূল্যবান ধাতুটির আউন্সপ্রতি মূল্য ৩০ ডলারের ওপরে পৌঁছাতে পারে। কারণ, শিল্প কারখানায় চাহিদা বেড়েছে। এদিকে, বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, স্পট মার্কেটে বৈশ্বিক বেঞ্চমার্ক সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে ১ দশমিক ১ শতাংশ। প্রতি আউন্সের দর স্থির হয়েছে ২৩৬৩ ডলার ৪২ সেন্টে। দিনের শুরুতে যা ছিল ২৩৬৫ ডলার ০৯ সেন্ট। যা সর্বকালের সর্বোচ্চ। স্যাক্সো ব্যাংকের পণ্য কৌশলের প্রধান ওলে হ্যানসেন বলেন, বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। ফলে আর্থিক নিরাপত্তার আশায় স্বর্ণে বিনিয়োগে ঝুঁকছেন ব্যবসায়ীরা। তাতে বুলিয়ন বাজার আরো চাঙা হয়েছে।

ঈদের কোন সিনেমা নির্মাণে কত টাকা খরচ হয়েছে

ঈদের কোন সিনেমা নির্মাণে কত টাকা খরচ হয়েছে

ঈদুল ফিতরে মুক্তির তালিকায় রয়েছে ডজন খানিকের মত সিনেমা। এরমধ্যে বেশ কয়েকটি ছবি রয়েছে আলোচনায়। আলোচিত সেই ছবিগুলো নির্মাণে কত টাকা খরচ হয়েছে সেটা নিয়েও রয়েছে সবার আগ্রহ। সিনেমা নির্মাণের সেই সম্ভাব্য বাজেট নিয়েই আজকের এই প্রতিবেদন। রাজকুমার এবারের ঈদে শাকিব খান অভিনীত ও হিমেল আশরাফ পরিচালিত সিনেমা ‘রাজকুমার’ মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা। ঢাকা, পাবনা, কুষ্টিয়া, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, বান্দরবান, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রে শুটিং হয়েছে রাজকুমার সিনেমাটির। সিনেমাটিতে শাকিবের নায়িকা যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টনি কফি। গল্পের কারণেই এসব লোকেশন বেছে নেওয়া। ফলে সিনেমাটি বাজেটও বেড়েছে হু হু করে। সিনেমাটির প্রযোজক আরশাদ আদননা জানান, রাজকুমার শুরু থেকেই বড় স্কেলে সব কিছু নিয়ে তৈরি হচ্ছে। যেহেতু বড় ও ভালো গল্প তাই নির্মাণে কোন ছাড় দেওয়া হয়নি। যেখানে যে বাজেট লেগেছে সেটাই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তা কি পরিমাণ বাজেটের অনুমোদ পেয়েছে রাজকুমার? এমন প্রশ্ন রাখলে ব্যবসায়িক কারণে তা এড়িয়ে যান প্রযোজক। সিনেমাটির ঘনিষ্ঠসূত্রের বরাতে পাওয়া খবর ৮কোটির অধিক ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে রাজকুমার। এই টাকা কতটা তুলে আনা সম্ভব এই প্রশ্ন রাখা হয়েছিল আরশাদ আদানের কাছে। তার সহজ উত্তর, আমার ছবিতে শাকিব আছে, সুন্দর গল্প আছে তাই এটা তুলে এনে লাভ করা কেনো ব্যপারই না। কাজলরেখা বেশ ঘটা করেই জানানো হয়েছে ঈদে মুক্তি পাবে গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘কাজলরেখা’। মৈমনসিংহ গীতিকার ‘কাজলরেখা’ অবলম্বনে সিনেমাটিতে কাজলরেখার নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মন্দিরা চক্রবর্তী। সুচ কুমারের বেশে দেখা যাবে শরিফুল রাজকে। কঙ্কণ দাসীর খলচরিত্রে অভিনয় করেছেন রাফিয়াথ রশিদ মিথিলা। মূলত কাজলরেখা চারশো বছর আগের বাংলার রূপকথা। অতীতের চিত্রগুলো বাস্তব সম্মতভাবে ফুটিয়ে তুলতে হাত খুলে প্রযোজককে খরচ করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিনেমাটির পরিচালক। তার হিসেবে চারশ বছর আগের বাড়ি, সেট, বাণিজ্যিক বন্দর সব মিলিয়ে খরচ প্রায় দুই কোটি টাকা। শুকপাখি চরিত্র এনিমেশন। এখানেও বড় বাজেট ব্যয় করা হয়েছে। কাজলরেখা মুক্তি সামনে রেখে কনসার্ট, সারাদেশে বিলবোর্ডসহ নানা ধরণের ব্যান্ডিং করা হচ্ছে। প্রযোজনা সংস্থার সুত্রে জানা গেছে সব মিলিয়ে কাজলরেখা পাঁচ কোটি টাকার সিনেমা। কথা হচ্ছে এই টাকা কি থিয়েটার থেকে উঠবে? পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিম বলেন শুধু দেশের থিয়েটার দিয়ে কোনও ভালো সিনেমা লগ্নি তুলে আনতে পারবেনা। আমরা দেশের বাইরে কানাডা, আমেরিকাসহ নানা জায়গায় মুক্তি দিচ্ছি। এখানে ঈদে মুক্তির ঘোষণা দেবার পর মাল্টিপ্লেক্সসহ থিয়েটারের আগ্রহ দেখছি। মুক্তির নির্দিষ্ট সময় পর ওটিটি ও টিভি রাইটসহ আরো অনেক আয়ের খাত রয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা হলো কাজলরেখা যদি বানাতে হয় আপনাকে বাজেট বড় করতে হবে। আয়ের চ্যালেঞ্জও নিতে হবে। নাহলে আমাদের সিনেমা কিভাবে এগুবে? দেয়ালের দেশ ঈদের সিনেমার অন্যতম আলোচিত ছবি হচ্ছে ‘দেয়ালের দেশ’। ছবিটির পোস্টার থেকে শুরু করে টিজার, ট্রেলার সব কিছুই পছন্দ হচ্ছে দর্শকদের। ফলে মিডিয়াম বাজেটের ছবি হয়েও সমালোকদের প্রশংসনীয় আলোচনা নিজের দখলে নিয়ে নিয়েছে ছবিটি। মিশুক মনির পরিচালিত ছবিটিতে মূল চরিত্রে আছেন শরিফুল রাজ ও ‍বুবলী। ছবিটি সরকারি অনুদান পেলেও কো-প্রযোজক হিসেবে মিশুক মনি নিজের টাকাও ঢেলেছেন এতে। তা ঠিক কত ঢেলেছেন সে সম্পর্কে পরিচালক খোলাসা করতে নারাজ। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিনেমাটির টিমের এক সদস্য জানিয়েছেন প্রায় দুই কোটির মত নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ছবিটির বেলায়। এতো টাকা হল থেকে উঠবে কিনা সে প্রশ্ন রাখলে, পরিচালক ও প্রযোজক জানান, গল্পটি বড় আকারে বলতে গিয়েই বাজেটে দ্বিগুণ ব্যায় করা হয়েছে। কোনো কিছুর ঘাটতি রাখা হয়নি এতে। তবে লগ্নিকৃত টাকা ফেরত আসবে এটা আমি নিশ্চিত। সঙ্গে বেশ মুনাফাও হবে। কারণ ছবিটি একবার কোনো দর্শক দেখলে শেষ অব্দি দেখতে হবে। ফলে ঈদে ছবিটি দর্শকরা দেখবেন সে বিশ্বাস আমার রয়েছে। ওমর দীর্ঘদিন পর নতুন সিনেমা নিয়ে আসছেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। তার পরিচালিত সিনেমা ‘ওমর’ মুক্তি পাবে এ ঈদে। পরিচালক না জানালেও জানা গেছে এই ছবির সম্ভাব্য বাজেট ধারণা। ছবিটির টিমের এক সদস্যের বরাতে পাওয়া খবর, ওমর প্রায় দুই কোটি টাকা বাজেটের ছবি। সিনেমায় ওমর চরিত্রটিতে অভিনয় করেছেন শরীফুল রাজ। এতে আরো অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, ফজলুর রমান বাবু, নাসির উদ্দিন খান, রোজী সিদ্দিকী, আয়মান সিমলা প্রমুখ। লিপস্টিক আসন্ন ঈদে মুক্তি পেতে যাচ্ছে চিত্রনায়ক আদর আজাদ ও চিত্রনায়িকা পূজা চেরী অভিনীত সিনেমা ‘লিপস্টিক’। সিনেমাটির আইটেম গান ‘বেসামাল’ প্রকাশের মাধ্যমে মুক্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। সূত্রের খবর ছবিটির নির্মাণ ব্যয় ছিল দেড় কোটিরও বেশি। তবে প্রযোজক ও পরিচালক সঠিক বাজেটের বিষয়ে খোলাসা করে জানাননি। শুধু জানিয়েছেন কোটির টাকারও বেশি বাজেটের ছবি লিপস্টিক। সাজগোজ প্রেজেন্ট সিনেমাটির বিভিন্ন চরিত্রে এতে অভিনয় করেছেন আদার আজাদ, পূজা চেরী মিশা সওদাগর, শহীদুজ্জামান সেলিম, প্রমুখ।

ধাওয়ানকে নিয়ে দুঃসংবাদ দিলো পাঞ্জাব

ধাওয়ানকে নিয়ে দুঃসংবাদ দিলো পাঞ্জাব

কাঁধের ইনজুরিতে পড়েছেন পাঞ্জাব কিংসের অধিনায়ক শিখর ধাওয়ান। এতে অন্তত এক সপ্তাহের জন্য আইপিএল থেকে ছিটকে গেলেন তিনি। এমনকি এক সপ্তাহের বেশি সময় মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে বাঁহাতি এই ব্যাটারকে। শনিবার জয়পুরে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে হারের পর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাঞ্জাবের কোচ সঞ্জয় বাগার। তিনি বলেন, বেশ কয়েক দিনের জন্য খেলার বাইরে চলে যাচ্ছে ধাওয়ান। অন্তত ৭-১০ দিন মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে তার। ইনজুরির কারণে আইপিএলের দুটি ম্যাচ খেলতে পারবেন না ধাওয়ান। আগামী ১৮ এপ্রিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ও ২১ এপ্রিল গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে মাঠের বাইরে থাকবেন তিনি। সঞ্জয় বাগার বলেন, ‘তার (ধাওয়ান) কাঁধে চোট রয়েছে। তাই অন্তত কয়েকদিনের জন্য বাইরে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। শিখরের মতো একজন অভিজ্ঞ ওপেনার, যার এই জাতীয় উইকেটে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে; এমন একজনের দলে থাকাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের অপেক্ষা করতে হবে এবং দেখতে হবে, কীভাবে চিকিৎসায় সাড়া দেয় ধাওয়ান। এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে অন্তত সাত-দশ দিনের জন্য সে কাজের বাইরে থাকতে পারেন।’

#

ফেব্রুয়ারিতে চালু ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু, যেসব সুবিধা হবে

#

এবারের নির্বাচন পাতানো ছিল না : কাদের!

#

আগামী সপ্তাহে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল!

#

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ!

#

বীর মুক্তিযোদ্ধা’ লেখা স্মার্টকার্ড দিচ্ছে ইসি!